• ঢাকা |

মহম্মদপুর উপজেলা পিআইও’র বিরুদ্ধে ১০% ঘুষ নেয়ার অভিযোগ 


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
ছবির ক্যাপশন:

ফারুক আহমেদ, মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরার মহম্মদপুরে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুল হাসানের বিরুদ্ধে ১০% পার্সেন্ট ঘুষের অভিযোগ এনেছে চেয়ারম্যানরা। এব্যাপারে ২ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে বিনোদপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে বসে বিবৃতি দিয়েছেন উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কমিটির সভাপতি বিনোদপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. মেজবাউল ইসলাম। 

লস ও ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার কথা উল্লেখ করে ১০% পার্সেন্ট টাকা ঘুষ আর যাতে দেওয়া না লাগে সে বিষয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে মো. মেজবাউল ইসলাম বলেন, উপজেলা পিআইও (উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা) রাশেদুল ইসলামকে টিআর কাবিখা থেকে ১০% পার্সেন্ট অর্থাৎ লাখে দশ হাজার টাকা দিতে হয়। এই টাকা তাকে দিলে আমাদের যে কাজের মান এতে আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হই। আমাদের ৮টি চেয়ারম্যান ও মেম্বারবৃন্দের কোন লভ্যাংশ থাকে না। যেটা থাকে সেটা পিআইও অফিস রাশেদুল ইসলামকে আমাদের দিয়ে দিতে হয়। আমরা মহম্মদপুর উপজেলা চেয়ারম্যানবৃন্দ এবং মেম্বারবৃন্দ আমরা যখন পরিপূর্ণভাবে হান্ডেড পার্সেন্ট কাজ করি এবং এক নম্বর ইট দিয়ে কাজ করি। আমরা কেন এই টাকা পিআইওকে দেবো? আমরা এই টাকাটা দিলে আমাদের লস হয় এবং আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে যাই। ভবিষ্যতে যাতে এই টাকা আর দেওয়া না লাগে সে জন্য আমরা বিষয়টি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। 

এর কয়েকদিন আগে ফোন করে প্রেসক্লাব মহম্মদপুরের সভাপতির কাছে অভিযোগ করে জানান দীঘা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান রফিক শিকদার। তিনি ফোনে বলেন, ‘আমরা যারা প্যানেল চেয়ারম্যান হওয়ার পর আমাদের চেয়াম্যানরা মিলে একটি কমিটি করল। সেখানে কমিটির সভাপতি হলো মেজবাউল আলম হামিদ ভাই। সেক্রেটারী নওশের ভাই। আমরা তাদের উপর ছেড়ে দেই। তারা যেই সিদ্ধান্ত নেন আমরা সেটা পালন করি। এইবার টিআর কাবিখা শুরু হলি পিআইও আসে  তালবাহানা শুরু করে। সেইসময় বনি আমিন (উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত) ছিলো। স্যার বলল আমার কোন পার্সেন্ট ফারসেন্ট নাই। আপনারা সঠিকভাবে কাজ করেন। সেই সময় ৪০০ফুট রাস্তা এক নাম্বার বালি ইট দিয়ে করা। যেই কাজ করা হয়ে গিলো উনি (পিআই্ও) কয় যে স্যার আমার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়েই গেছে। আরো সামনে কি করতি হবেনে তার নাই খবর। এরপর ঘষে মাজে তার সাথে টেনপার্সেন্ট কন্টাক্ট হলো।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার নামে এমন অভিযোগ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইউপি সদস্যদেরও। 

এব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে তিনি ফোন করে প্রেসক্লাব সভাপতির কাছে বলেন, ‘আমরা আসছি বহুদূর থেকে। কয়েকদিন এখানে থাকব। আমি বুঝেছি আপনার সাথে গেপ বা দুরত্ব হয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে নিউজ না করার জন্য তিনি প্রেসক্লাব মহম্মদপুরের সভাপতিকে অনুরোধ করেন।

এছাড়াও তার বিরুদ্ধে মাগুরা শালিখা উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা  থাকাকালীন সময়ে মাগুরা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ ফারুক আহমেদ চেয়ারম্যান, মেম্বার ও তার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও কাজে গাফিলতি ইত্যাদি বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে ছিলেন। এছাড়াও এই সব পিআইওদের বিরুদ্ধে ১০% থেকে শুরু করে ২৫% পর্যন্ত লাখে টাকা ও ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের প্রমাণ দিয়ে ছিলো বুনাগাতি ইউনিয়নের মেম্বার।